This website is under development. Some features and content may not be fully available yet. Thank you for your patience and support.
রমাদান ধারাবাহিক | পর্ব ৬
ইফতারের সময় ও সুন্নাহ
RAMADAN
umm Ayman
2/23/20261 min read
ইফতারের সময়ও সুন্নাহ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
ইনশাআল্লাহ আজ আমরা ইফতার সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
চোখে দেখে, আযান শুনে, অথবা নির্ভরযোগ্য সংবাদের মাধ্যমে সূর্যাস্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে বিলম্ব না করে ইফতার করা সুন্নাহ।সাহ্ল ইবন সা‘দ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
“মানুষ যতক্ষণ তাড়াতাড়ি ইফতার করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কল্যাণের মধ্যে থাকবে।”—বুখারী
আরেক হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ‘তারা আমার সর্বাধিক প্রিয় বান্দা, যারা তাড়াতাড়ি ইফতার করে।’—আহমদ
অতএব, অকারণে দেরি করা সুন্নাহর পরিপন্থী।
আপনি যে ইফতারের দোয়া পড়ে আসছেন—তা কি রাসূল ﷺ থেকে প্রমাণিত?
আমরা সবাই নিম্নোক্ত দুয়াটি ইফতারের দুয়া বলে জানি
আল্লাহুম্মা সুমতু লাকা, ওয়া তাওআক্কালতু আ‘লা রিঝক্বিকা, ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রহিমীন
বাংলায় অর্থ: হে আল্লাহ পাক! আমি আপনারই সন্তুষ্টির জন্য রোযা রেখেছি এবং আপনারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।
তবে দুখ:জনক হলেও সত্যি যে উপোরক্ত দুয়াটি রসুল (সা:) ইফতার করার সময় বলেছেন —এ মর্মে কোনো সহীহ হাদীস নেই।
ইফতারের সহীহ দোয়া
আব্দুল্লাহ ইবন ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফতার করার সময় বলতেন:
«ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ»
(যাহাবায যামাউ, ওয়াবতাল্লাতিল উরূকু, ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ)
অর্থ: “পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সতেজ হলো এবং আল্লাহর ইচ্ছায় প্রতিদান প্রতিষ্ঠিত হলো।”
— আবু দাউদ
বাংলায় অর্থ: ‘পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সতেজ হলো এবং আল্লাহর ইচ্ছায় প্রতিদান প্রতিষ্ঠিত হলো।’[আবু দাউদ]
খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নাত
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন - “নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিব নামায আদায়ের পূর্বে কিছু কাঁচা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। যদি কাঁচা খেজুর না থাকতো তাহলে শুকনো খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। যদি শুকনো খেজুর না থাকতো তাহলে কয়েক ঢোক পানি দ্বারা ইফতার করতেন।” —আহমাদ
যদি কোনো কাঁচা খেজুর, শুকনো খেজুর ও পানি না পাওয়া যায় তাহলে হালাল খাদ্য ও পানীয় যা সহজে মিলে তা দ্বারা-ই ইফতার করা যাবে। যদি কোনো কিছুই না পাওয়া যায় তাহলে অন্তরে ইফতারের নিয়ত করলে ইফতার হয়ে যাবে।
তবে আঙ্গুল চুষা বা মুখে লালা জমা করে গিলে ফেলা—এসব কাজের কোনো ভিত্তি নেই এবং তা পরিত্যাজ্য।
