This website is under development. Some features and content may not be fully available yet. Thank you for your patience and support.
রমাদান ধারাবাহিক | পর্ব ১
রমাদান: গুনাহ ক্ষমার এক অফুরন্ত সুবর্ণ সুযোগ
RAMADAN
Umm Ayman
1 min read
রমাদান: গুনাহ ক্ষমার এক অফুরন্ত সুবর্ণ সুযোগ
রমাদান মাস আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে এক বিশেষ নিয়ামত। এটি সাওয়াব অর্জনের মৌসুম, রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস। এই মাসেই মহান আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআন নাযিল করেছেন মানবজাতির জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে।
আল-কুরআনে আল্লাহ বলেনঃ
“রমাদান মাস, যার মধ্যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লোকদের পথ প্রদর্শক এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে।”
— সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৫
রমাদান মাসের মর্যাদা ও ফযীলত সম্পর্কে বহু সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সহীহ বুখারী ও মুসলিমে আবূ হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“যখন রমাদান মাস আগমন করে, তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়।”
এই হাদীস আমাদের জন্য এক বিশাল সুসংবাদ।
রমাদানে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়—যাতে বান্দারা অধিকহারে নেক আমল করতে উৎসাহিত হয়।
জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়—কারণ এ মাসে ঈমানদারদের গুনাহ কমে আসে।
আর শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়—যাতে সে অন্যান্য মাসের মতো সহজে মানুষকে পথভ্রষ্ট করতে না পারে।
তাই রমাদান হলো আত্মশুদ্ধির মাস, তাওবার মাস, ফিরে আসার মাস।
এটি গোনাহ মাফ করার এক অফুরন্ত সুযোগ।
আমরা যেন রমাদানের ইবাদতকে শুধু ফরজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রাখি। বরং নফল ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির, দুআ, সদকা—এসবের মাধ্যমে আমাদের আমলনামা সমৃদ্ধ করি।
ইনশাআল্লাহ, রমাদান মাসের তাৎপর্য, হুকুম-আহকাম, বিধি-বিধান ও আদাব নিয়ে “রমাদান ধারাবাহিক” নামে নিয়মিত রিমাইন্ডার প্রকাশ করার ইচ্ছা রাখছি। আলোচনার অধিকাংশ বিষয় শেখ উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ)-এর রমাদান আসর-৩০ থেকে সংকলিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
মহান আল্লাহর কাছে দুআ করি—
তিনি যেন এই সামান্য আমলটুকু কবুল করেন এবং এর মাধ্যমে আমাদের সবাইকে উপকৃত করেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম দাতা, পরম সম্মানিত।
